Arshogondha – অশ্বগন্ধা

300.00৳ 

& Free Shipping
বিষয় বিবরণ
পণ্যের নাম অশ্বগন্ধা (Withania somnifera)
ধরন ঔষধি ও ভেষজ গাছ
উচ্চতা ৩০–৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত
ফুলের রং সবুজাভ বা হালকা হলুদ
মূলের গন্ধ ঘোড়ার ঘামের মতো (এই জন্যই নাম “অশ্বগন্ধা”)
প্রাকৃতিক বিস্তার ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চল
ভেষজ গুণ শক্তিবর্ধক, মানসিক চাপ কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
ব্যবহার্য অংশ মূল, পাতা ও বীজ
পরিচর্যা রোদযুক্ত, দো-আঁশ মাটিতে ভালো জন্মে; অতিরিক্ত জল নিষিদ্ধ
Guaranteed Safe Checkout

Arshogondha Plant – অশ্বগন্ধা গাছের পরিচিতি

Arshogondha Plant অশ্বগন্ধা (Withania somnifera) একটি বহুল পরিচিত ভেষজ ও ঔষধি উদ্ভিদ, যা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি প্রায় ৩০–৭৫ সেন্টিমিটার উচ্চতার ঝোপজাতীয় গাছ। এর মূল ঘোড়ার ঘামের মতো গন্ধযুক্ত — সেই কারণেই এর নাম অশ্বগন্ধা, অর্থাৎ “ঘোড়ার গন্ধযুক্ত”। অশ্বগন্ধা গাছের আদি নিবাস ভারত, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল। দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে এটি ভালো জন্মে। গাছের মূল, পাতা ও বীজ ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ এবং শক্তিবর্ধক, মানসিক চাপ কমানো ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর। আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও আধুনিক হার্বাল চিকিৎসায় অশ্বগন্ধা প্রাকৃতিক টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি শরীর ও মনে শক্তি, সহনশক্তি ও প্রশান্তি এনে দেয়।

অশ্বগন্ধার – Arshogondha Plant উপকারিতা

  • মানসিক প্রশান্তি আনে: মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

  • শক্তিবর্ধক ও টনিক: শরীরের সহনশক্তি ও উদ্যম বৃদ্ধি করে।

  • মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি: মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মনঃসংযোগ উন্নত করে।

  • নিদ্রাহীনতা দূর করে: ভালো ঘুম নিশ্চিত করে ও স্নায়ুর প্রশান্তি আনে।

  • হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

  • রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শরীরকে সংক্রমণ ও ক্লান্তি থেকে রক্ষা করে।

  • হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা: পুরুষদের টেস্টোস্টেরন ও নারীদের হরমোনজনিত সমস্যায় সহায়ক।

  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ: কোষের ক্ষয় রোধ করে ও বার্ধক্য ধীর করে।

অশ্বগন্ধার প্রধান উপাদান

  • উইথানোলাইডস (Withanolides) – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক, মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

  • উইথেরিয়ানোলাইডস (Withaferin A) – রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও কোষের ক্ষয় রোধ করে।

  • গ্লাইকোসাইডস (Glycosides) – হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করে।

  • স্টেরয়েডাল ল্যাকটোন (Steroidal Lactones) – শক্তি বৃদ্ধি ও টনিক হিসাবে কার্যকর।

  • এমিনো অ্যাসিড (Amino Acids) – প্রোটিন সৃষ্টিতে সাহায্য করে এবং শরীরের পুনর্গঠনকে শক্তিশালী করে।

  • ফ্ল্যাভোনয়েডস (Flavonoids) – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক।

  • মিনারেলস (Minerals) – ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ইত্যাদি শরীরের পুষ্টি বৃদ্ধি করে।

Withania somnifera বা অশ্বগন্ধার পরিচর্যা (Care Instructions)

  • মাটি: হালকা, উর্বর, ভালো ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন; বেলে দো-আঁশ মাটি বিশেষভাবে উপযুক্ত।

  • সূর্যালোক: সরাসরি সূর্য বা আংশিক ছায়া উভয়েই বৃদ্ধি পায়; পর্যাপ্ত সূর্য আলো না পেলে গাছ লম্বা ও দুর্বল হয়।

  • সেচ: নতুন চারা নিয়মিত পানি পাবে; পরিপক্ব গাছ তুলনামূলকভাবে কম পানি সহ্য করতে পারে।

  • বীজ ও চারা রোপণ: মার্চ–এপ্রিল মাসে পরিপক্ব ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করুন; নয় মাসের চারা নার্সারি থেকে সংগ্রহ করে রোপণ করা যায়।

  • সার প্রয়োগ: হালকা জৈব সার বা কম্পোস্ট প্রয়োগ করলে বৃদ্ধি দ্রুত হয়।

  • রোগ ও কীটপতঙ্গ: নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন; প্রয়োজনে জৈব বা প্রাকৃতিক কীটনাশক ব্যবহার করুন।

  • ছাঁটাই: অপ্রয়োজনীয় শাখা ও পাতা ছেঁটে গাছের আকার ও স্বাস্থ্য বজায় রাখুন।

  • ফুল ও ফল: গ্রীষ্মে ফুল ফোটে, ফল সাধারণত পরিপক্ব হয় বসন্তে।

অশ্বগন্ধার প্রাপ্তিস্থান

  • মূল নিবাস: ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

  • চাষযোগ্য এলাকা: আর্দ্র ও নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া উপযুক্ত; বিশেষ করে রোদ ও হালকা দো-আঁশ মাটি ভালো।

  • বাগান ও নার্সারি: অধিকাংশ দেশের নার্সারি থেকে সরাসরি চারা বা বীজ সংগ্রহ করা যায়।

  • রাস্তার ধারে ও পতিত জমি: খোলা মাটি, বারান্দা বা বাগানের সীমানায় সহজে জন্মায়।

  • আন্তর্জাতিক বিস্তার: আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশেও চাষ করা হয়।

  • আজ কাল অনলাইনেও বেচাকেনা হয়ে থাকে greenovabd.com আপনাদেরকে সম্পূর্ন Cash on delivery দিয়ে থাকে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Arshogondha – অশ্বগন্ধা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping Cart
Arshogondha PlantArshogondha – অশ্বগন্ধা
300.00৳ 
Scroll to Top